9ku-র শুরুটা হয়েছিল একটা সহজ পর্যবেক্ষণ থেকে। বাংলাদেশে ক্রিকেট নিয়ে মানুষের আগ্রহ অসাধারণ। আইপিএল, বিশ্বকাপ বা বাংলাদেশের যেকোনো ম্যাচে চায়ের দোকান থেকে শুরু করে অফিসের ক্যান্টিন – সবখানে আলোচনা চলে। এই উৎসাহকে একটা সুশৃঙ্খল এবং নিরাপদ বেটিং প্ল্যাটফর্মে রূপ দেওয়াই ছিল লক্ষ্য।
শুরুতে ছোট একটি দল মিলে বাজার বিশ্লেষণ করলেন। দেখা গেল, বাংলাদেশের মানুষ বিদেশি সাইটে যাচ্ছেন, কিন্তু ভাষার কারণে বুঝতে পারছেন না, পেমেন্টে সমস্যা হচ্ছে এবং জিতলেও টাকা তুলতে ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে। এই সমস্যাগুলো সমাধান করতেই 9ku আসে।
প্রযুক্তি ও স্থানীয়করণ
9ku-র প্রযুক্তি দল শুরু থেকেই মোবাইল-ফার্স্ট নীতিতে কাজ করেছে। বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ৮০ শতাংশেরও বেশি মোবাইলে সাইট ব্রাউজ করেন। তাই অ্যাপ এবং মোবাইল ওয়েবসাইট যাতে দ্রুত চলে এবং কম ডেটা খরচ করে – সেদিকে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়েছে।
পেমেন্ট ইন্টিগ্রেশনে বিকাশ, নগদ ও রকেটকে যুক্ত করা সহজ ছিল না। প্রতিটি প্ল্যাটফর্মের নিজস্ব API এবং নিরাপত্তা প্রোটোকল আছে। 9ku-র টেকনিক্যাল টিম মাসের পর মাস কাজ করে এই ইন্টিগ্রেশন নিখুঁত করেছে যাতে ব্যবহারকারীর টাকা সবসময় নিরাপদ থাকে।
"আমাদের কাছে সবচেয়ে বড় সাফল্য হলো যখন কোনো ব্যবহারকারী বলেন – '9ku-তে আমি নিরাপদ বোধ করি।' এই বিশ্বাসটাই আমাদের সব পরিশ্রমের পুরস্কার।"
— 9ku প্রতিষ্ঠাতা দলের একজন সদস্য
দায়িত্বশীল বেটিং
9ku বিশ্বাস করে বেটিং বিনোদনের একটি মাধ্যম, আসক্তির নয়। তাই প্ল্যাটফর্মে ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন এবং কুলিং অফ পিরিয়ডের মতো টুল আছে। ১৮ বছরের কম বয়সীদের জন্য 9ku সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং বয়স যাচাই প্রক্রিয়া কঠোরভাবে মেনে চলা হয়।
আমাদের সাপোর্ট টিম বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত যাতে কোনো ব্যবহারকারী সমস্যায় পড়লে সঠিক সহায়তা পান। বেটিং সংক্রান্ত যেকোনো উদ্বেগে আমরা পরামর্শ ও রিসোর্স দিতে প্রস্তুত।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
9ku এখানেই থামছে না। আগামী দিনে আরও বেশি স্থানীয় খেলার বাজার, আরও দ্রুত পেমেন্ট এবং আরও উন্নত লাইভ স্ট্রিমিং সুবিধা আনার পরিকল্পনা আছে। বাংলাদেশের ক্রীড়া সংস্কৃতির সাথে তাল মিলিয়ে 9ku বড় হতে চায়।
9ku আন্তর্জাতিক গেমিং নিয়ন্ত্রক সংস্থার লাইসেন্সের অধীনে কাজ করে এবং ব্যবহারকারীর তথ্য সুরক্ষায় GDPR-সামঞ্জস্যপূর্ণ নীতি অনুসরণ করে।